ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার চীনের ব্যাপক আকারে চীনের বিনিয়োগ আসবে, আশা প্রেস সচিবের নদী ও পানি ব্যবস্থাপনায় বেইজিংয়ের কাছে ‘মাস্টারপ্ল্যান’ চায় ঢাকা ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই ডাকাতি বৃদ্ধিতে উদ্বেগ নিরাপত্তা দাবি স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সুনামগঞ্জে বালু উত্তোলন নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ আহত ৬ নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান সংস্কারের কথা বলেও পরে কথা রাখেনি- নাহিদ ঈদে ফিরতি যাত্রায় ৮ এপ্রিলের টিকিট মিলবে আজ মিয়ানমারে দু’দফা শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশও পানি সঙ্কটে উত্তরাঞ্চলের কৃষি বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরে সহায়তা করবে চীনা এক্সিম ব্যাংক ভারত থেকে কেনা হবে আরও ৫০ হাজার টন চাল ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে তিন স্তরের নিরাপত্তা ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার ঈদের ছুটি দীর্ঘ হলেও অর্থনীতিতে স্থবিরতা আসবে না-অর্থ উপদেষ্টা মিয়ানমারে সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে রোহিঙ্গারা নাড়ির টানে ছুটছে মানুষ রাজধানীতে তীব্র যানজট
সাবেক ছাত্রলীগ নেতার পরিচালিত

বাতিল হচ্ছে ট্রেনের লিজ

  • আপলোড সময় : ১৩-১১-২০২৪ ১২:৫১:২৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-১১-২০২৪ ১২:৫১:২৪ অপরাহ্ন
বাতিল হচ্ছে ট্রেনের লিজ

* এ নেতা ও তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন রয়েছে এলআর ট্রেডিং, টিএম ট্রেডিং, এসআর ট্রেডিং ও এনএল ট্রেডিং কোম্পানি
* রিপনের চাচা ছিলেন ঢাকা রেলওয়ের ঠিকাদার, চাচাতো বোনকে বিয়ে করে রেলের জগতে প্রবেশ করেন রিপন
* বর্তমানে মোট ৩৭টি ট্রেন পরিচালনা করছেন
* ৩৭ ট্রেনের মধ্যে ২৪টি লীজ বাতিল করলেও থেকে যাবে ১৩ ট্রেন
* বরিশাল ৫ সংসদীয় আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন রিপন
* নামে-বেনামে প্রতিষ্ঠান খুলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে রেলওয়ে কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে ট্রেন পরিচালনা করে 
 
চার বছরের জন্য ২৪ ট্রেন পরিচালনার চুক্তি নিয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চালায় : মো. নাহিদ হাসান খান, পরিচালক (জনসংযোগ), রেলওয়ে



চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে বেসরকারিভাবে পরিচালিত ২৪ ট্রেনের লিজ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। লিজ নেয়া ইজারাদারদের বিষয়টি জানাতে রেলপথ মন্ত্রণালয় গত ৩ নভেম্বর রেলওয়ের মহাপরিচালককে চিঠি দেয়। চিঠিতে জানানো হয়, রেলওয়ের সঙ্গে তাদের চুক্তি এ বছরের ৩১ ডিসেম্বর বাতিল হয়ে যাবে। রেল কর্মকর্তারা জানান, যত দ্রুত সম্ভব নতুন করে টেন্ডার দিয়ে ট্রেনগুলোকে আবার লিজ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
সূত্র জানায়, এই ২৪ ট্রেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন ও তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হয়। এই কোম্পানিগুলো প্রাথমিকভাবে চার বছরের জন্য ট্রেন পরিচালনার চুক্তি পেয়েছিল। কিন্তু তারা গত এক দশকের বেশি সময় ধরে নতুন টেন্ডার ছাড়াই চুক্তির সময় বাড়িয়ে ট্রেন পরিচালনা করে আসছে। জনবল সংকটের কারণে বাংলাদেশ রেলওয়ে ১৯৯৭ সাল থেকে বেসরকারি খাতের সঙ্গে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে মোট ৩৭টি ট্রেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এগুলোর বেশিরভাগই সালাউদ্দিন রিপন ও তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন এলআর ট্রেডিং, টিএম ট্রেডিং, এসআর ট্রেডিং এবং এনএল ট্রেডিং পরিচালনা করছে।
রেলওয়েকে দেয়া চিঠিতে মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, বিভিন্ন জটিলতার কারণে ২০১৯ সালে বেসরকারিভাবে ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত বাতিল হয়েছে। চিঠিতে অবশ্য ২৪ ট্রেনের ইজারা বাতিলের পেছনে কোনো বিশেষ কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন বরিশাল-৫ আসন থেকে গত সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিগত সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও রেলের অসাধু কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে ট্রেন পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সালাউদ্দিন রিপন বেশ কয়েকটি কোম্পানি খুলে রেলের বেসরকারি খাতে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত ৩৭টি ট্রেনের মধ্যে ৩২টিই নিয়ন্ত্রণ করছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন ও তার স্ত্রী মিফতাহুল জান্নাত লুনা। চার বছরের জন্য ট্রেন পরিচালনার ইজারা নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের আশীর্বাদে বারবার নবায়ন করা হয়েছে চুক্তি। নতুন ইজারা না করে অনিয়মের মাধ্যমে এই নবায়নের ফলে রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে রাষ্ট্রীয় গণপরিবহন সংস্থাটি। সালাউদ্দিন রিপন বরিশাল ৫ সংসদীয় আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। নামে-বেনামে প্রতিষ্ঠান খুলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে দরপত্রে অংশ নিয়ে ট্রেন পরিচালনার কাজ বাগিয়ে নিয়েছেন তিনি। দেশের বাণিজ্যিক রেলের প্রায় ৯০ শতাংশ কব্জায় নিয়েছেন এই দম্পতি। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ট্রেন পরিচালনার জন্য দরপত্রে অংশ নেয়া সব প্রতিষ্ঠানই ছিল রিপনের। ফলে প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতিতে খুব নিম্ন দরে টেন্ডারে অংশ নিয়েও কাজ পেয়েছেন তিনি। এ ক্ষেত্রে কারচুপি বা অনিয়মের বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় আর বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র আরও জানায়, মেসার্স এসআর ট্রেডিং, এলআর ট্রেডিং ও এনএল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী সালাউদ্দিন রিপন। টিএম ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী হিসেবে রয়েছেন মিফতাহুল জান্নাত লুনা। এই চার কোম্পানির ঠিকানাই রাজধানীর ৭৮ মতিঝিলে। বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্যমতে, ট্রেন ইজারার জন্য খোলা দরপত্রে অংশ নেয়া মেসার্স শান্তা ট্রেডার্স, এমকে ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস ও রুবায়েত ট্রেড ইন্টারন্যাশনালও রিপনের অফিসের ঠিকানা ও ৭৮ মতিঝিল থেকে পরিচালিত হচ্ছে। রেলওয়ে কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করে জানান, নামে-বেনামে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দরপত্রে অংশ নিয়ে থাকেন।
তথ্যমতে, বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ৮ জোড়া ট্রেন বাণিজ্যিকভাবে পরিচালনা করছে। এগুলো হচ্ছে বলাকা কমিউটার, মহুয়া কমিউটার, জামালপুর কমিউটার, দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার, কর্ণফুলী কমিউটার, তিতাস কমিউটার ও সাগরিকা কমিউটার। এগুলো সবকটিরই ইজারা পেয়েছেন রিপন-লুনা দম্পতি।
রেলওয়ের তথ্যমতে, ৯৯ নম্বর ঢাকা কমিউটার, ৫ নম্বর আপ ও ডাউন কমিউটার এবং ৫৫৪ নম্বর লোকাল ট্রেন ইজারা নিতে দরপত্রে অংশ নেয় ৫টি প্রতিষ্ঠান। এদের মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠানই আওয়ামী লীগ সমর্থিত এই দম্পতির। এসব কোম্পানির ঠিকানা একই। ২৩-২৪ রকেট মেইল ও ২৭-২৮ চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের দরপত্রে অংশ নিয়েছিল তিনটি প্রতিষ্ঠান। যার সবই রিপন-লুনা দম্পতির মালিকানাধীন। ১৫ নম্বর মহানন্দা, ৫৮৫ লোকাল ও ১৬ নম্বর মহানন্দা এবং ২৫/২৬ নম্বর নকশিকাথা এক্সপ্রেসের দরপত্রে অংশ নিয়েছিল তিনটি প্রতিষ্ঠান। 
এ ছাড়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক ট্রেনের দরপত্রে অংশ নিয়ে কাজ বাগিয়ে নিয়েছেন এই দম্পতি। অভিযোগ রয়েছে, এই দম্পতির অধীনে কর্মরত বিভিন্ন কর্মচারীরাও খোলা দরপত্রে অংশ নিয়ে বাণিজ্যিক ট্রেন পরিচালনার কাজ নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি ট্রেনের মধ্যে ১৬টি ট্রেনের পরিচালনার কাজও পেয়েছেন রিপন ও তার স্ত্রী লুনা।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্রতিদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও খুলনার মধ্যে যাতায়াত করে। ২০০৯ সালে এই ট্রেনটি ইজারা দেয়া হয়েছিল রিপনের এলআর ট্রেডিংকে। তখন প্রতি ট্রিপে একটি কোচের ইজারা মূল্য ধরা হয়েছিল ৪০ হাজার ৭৬০ টাকা। সে সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে খুলনা পর্যন্ত একজন যাত্রীর ভাড়া ছিল ৬০ টাকা। ২০১৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে এই ভাড়া ৯৫ টাকা নির্ধারণ করা। অথচ তখন ইজারা মূল্য কমিয়ে ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ২৯ টাকা। অথচ একটি কোচও বাড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। ২০১৩ সালে ট্রেন পরিচালনার কাজ আবার বাগিয়ে নেয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রিপনের আরেক প্রতিষ্ঠান এনএল ট্রেডিং। চারটি প্রতিষ্ঠান এই দরপত্রে অংশ নিয়েছিল। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এনএল ট্রেডিং, টিএম ট্রেডিং, মেসার্স শান্তা ট্রেডার্স ও এলআর ট্রেডিং।   যার সবই রিপন ও তার স্ত্রী  লুনার মালিকানাধীন। ফলে কারসাজি করে একাধিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দরপত্রে অংশ নিয়ে খুব নিম্নদরে কাজ পেয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, রিপনের চাচা ছিলেন ঢাকা রেলওয়ের ঠিকাদার। ২০০৪ সালে চাচার মৃত্যুর পর চাচাতো বোনকে বিয়ে করেন রেলের জগতে প্রবেশ করেন সালাউদ্দিন রিপন। এর পর রেলপথ মন্ত্রণালয় আর বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে রেলের জগতে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন সালাউদ্দিন রিপন। কারসাজির মাধ্যমে ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে দরপত্রে অংশ নিলেও তা মূল্যায়নের সময় বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্মকর্তারা আমলে নেননি। ফলে একই ব্যক্তিকে বিভিন্ন ট্রেনের পরিচালনার কাজ দিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে অধিক রাজস্বপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলছেন, নামে-বেনামে এসব কোম্পানিকে টেন্ডার দিতে সরকারের সাবেক দুই মন্ত্রীর পক্ষ থেকে চাপ ছিল। যার কারণে বাধ্য হয়েই কাজ দিতে হয়েছে প্রভাবশালী এ দম্পতিকে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. নাহিদ হাসান খান বলেন, ২৪টি ট্রেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন এবং তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছিল বলে জানা গেছে। সালাউদ্দিন রিপন এবং তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন ওই সংস্থাগুলো প্রাথমিকভাবে চার বছরের জন্য ২৪টি ট্রেন পরিচালনার চুক্তি জিতেছিল, কিন্তু তারা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সেগুলো চালাতে থাকে। মেয়াদ শেষ হলেও রেল মন্ত্রণালয় কোনো নতুন নতুন বিডিং ছাড়া তাদের চুক্তি বাড়ায়।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার শাহাদাত আলী বলেন, অনেক আগে থেকে এই দম্পতি বাণিজ্যিক ট্রেনগুলোর পরিচালনার কাজ পেয়েছেন। খোলা দরপত্রের মধ্যেই তারা এই কাজ পেয়েছেন। কিন্তু তাদের কাজ দিতে কোনো চাপ বা সরকারের প্রভাবশালী মহলের নির্দেশ ছিল কিনা তা এখন বলতে পারছি না। এসব খোলা দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্যদের ভূমিকা কী ছিল তা নিয়ে কোনো জবাব দেননি তিনি। অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের এই মহাপরিচালক পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা থাকাকালে ২০১৭ ও ২০১৮ সালে এই দম্পতি সুবিধা দিতে একাধিক ট্রেনের চুক্তি অবৈধভাবে নবায়ন করে। তিনি আরও মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পেয়ে রেলের পূর্ব ও পশ্চিম উভয় জোনের মহাব্যবস্থাপকদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বেসরকারিভাবে পরিচালিত অপর ১৩ ট্রেনের বিষয়ে কী হবে তা জানাননি রেলওয়ে মহাপরিচালক।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ